তথ্যপ্রযুক্তি

ইঙ্কস্কেপ: বিনিপয়সায় আঁকাঝোকার সফটওয়্যার

বাংলাদেশে বিশ্বসেরা সফটওয়্যারগুলোর সাম্প্রতিকতম সংস্করণগুলো ব্যবহার করা যায় অবলীলায়, কারণ সেগুলো পয়সা দিয়ে কিনতে হয় না। কিন্তু যুক্তরাজ্যে এসে সেই বিরল সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হতে হলো। এখানে একটা চ্যারিটির সাথে কাজ করছি। তাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত আপডেট করাটাই আমার কাজ। অন্যসময় হলে ড্রিমউইভার আর ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করে সহজেই কাজটা চালিয়ে দেয়া যেতো। কিন্তু এখানে বেআইনি সফটওয়্যার ইন্সটল করার কোনো উপায় নেই। তাই বাধ্য হয়েই খোঁজ করতে হলো ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের।

স্ক্রিবাস: ওপেনসোর্স পেইজ লেআউট সফটওয়্যার

পেইজ লেআউট সফটওয়্যার সাধারনত প্রফেশনালরা, যারা প্রিন্টিং এবং পাবলিশিং-এর সাথে জড়িত, তারা ব্যবহার করে থাকেন। এরপরেও কেউ কেউ ইন-হাউজ পাবলিকেশন বা নিউজলেটারের জন্য এ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন। পেইজ লেআউটের জন্য জনপ্রিয় যেসব বানিজ্যিক সফটওয়্যার আছে তাদের মধ্যে রয়েছে এডোবি ইনডিজাইন, কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ইত্যাদি। পেইজ লেআউট সফটওয়্যারের আরেকটা জনপ্রিয় সফটওয়্যার হচ্ছে মাইক্রোসফট পাবলিশার্স, ঘরোয়া কাজকর্মের জন্য যেটা মোটামুটি চলনসই। বেশ কিছুদিন ধরে যে ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের ধারা চালু হয়েছে, সেখান থেক

মবলিন - সাধারন ব্যবহারকারীদের জন্য চমৎকার অপারেটিং সিস্টেম

কিছুদিন আগে উইন্ডোজ সেভেন বাজারে এলো, তাই নিয়ে কতো হৈ চৈ। উইন্ডোজের নতুন নতুন সংস্করন বাংলাদেশের লোকজনের কাছে বেশ ভালোই লাগে, কারন সেগুলো বিনিপয়সাতেই ব্যবহার করা যাচ্ছে। কিন্তু অন্যান্য দেশে যাদের অপারেটিং সিস্টেমটাও আলাদা কিনতে হয়, তাদের কাছে কম্পিউটার ব্যবহারের খরচটা অনেক বেশিই। আর তাই এসব লোকেরা এখন ঝুঁকছেন ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের দিকে। বাজারে অনেকদিন ধরেই লিনাক্স চলছে, কিন্তু সাধারন ব্যবহারকারীদের জন্য লিনাক্স (ফেডোরা, উবুন্টু, ডেবিয়ান আর অন্যান্য সব সংস্করন) বেশ জটিল। আর তাই খুব সহজে ব্যবহার করা যায় এরকম একটা লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে মবলিন। ল্যাপটপ, নেটবুক আর আধুনিক মোবাইলে

অভ্র দিয়ে বাংলা লিখুন

সবাই এখন ম্যাসেঞ্জার আর ফেসবুকে। ইংরেজিতে কথা বলতে গেলে পুরো মাথার এদিক থেকে ওদিক হাতড়ে মরতে হবে, তাই সবাই চুটিয়ে এখন ইংরেজি অক্ষরে বাংলা লেখা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তাতে কি সুবিধা হচ্ছে খুব? যেমন আমার ফেসবুক ওয়ালে কয়েকদিন আগে একজন মন্তব্য লিখলো 'Thanks Bhi' কিন্তু 'bhi' জিনিসটা যে কি সেটা তিন চারটা ডিকশনারি খুঁজেও বুঝতে পারলাম না। তারপর হঠাৎ করেই বুঝতে পারলাম যে আসলে সে লিখতে চেয়েছিল 'থ্যাংকস ভাইয়া/ভাই'। তাই কথা হচ্ছে ইংরেজি দিয়ে বাংলা চালাতে গিয়ে বাংলার দফারফা করার কোন মানে হয় না।