ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে এখন সারা পৃথিবীতেই 'কমিউনিকেটিভ পদ্ধতি' ব্যবহৃত হচ্ছে। ১৯৮০-র দিকে এর প্রবর্তন হয়, এবং লিটলউড, উইডোসন সহ অনেকেই এটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
কমিউনিকেটিভ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং-এর কয়েকটা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে:
- কমিউনিকেশনের মাধ্যমে ভাষা শিক্ষা
- শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক
- ডিডাকটিভ গ্রামার
- অথেনটিক ম্যাটেরিয়াল
বর্তমান অবশ্য 'টাস্ক বেইজড পদ্ধতি' বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে এবং এর পেছনে আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইন্ডিয়ার 'প্রভু' বেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
